Thursday, June 9, 2016

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, আলেম-উলামাদের জন্য গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইফতারের আয়োজন l

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, আলেম-উলামাদের
জন্য গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইফতারের আয়োজন l

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ এখানে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, এতিম, শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু এবং আলেম-উলেমাদের জন্য এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন।

প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের জন্য সাজানো বিভিন্ন টেবিলে
যান, তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।

দেশের বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসার বিশিষ্ট আলেম-উলামারা ইফতার মাহফিলে যোগ দেন।
ইফতারের পূর্বে দেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান মোনাজাত পরিচালনা করেন।

এ সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ১৫ আগস্ট অন্যান্য শাহাদাতবরণকারী, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ব্যক্তিবর্গের আত্মার মাগফেরাত এবং প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ জীবন ও সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়।



Friday, June 3, 2016

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন।

পোষ্ট ও ফটো- Yeasin Kabir Joy .

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ
আল সৌদের আমন্ত্রণে সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বিকেলে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল
আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে পাঁচ দিনের সরকারি সফরে সৌদি আরবের জেদ্দা যাচ্ছেন।

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ সিংহাসনে আরোহনের পর
এটাই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রথম সৌদি আরব সফর।

আগামীকাল বিকেল ৪ টায় প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারি বাংলাদেশ বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে
জেদ্দার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

এদিন রাত ৮টায় (সৌদি আরবের স্থানীয় সময়) বিমানটির জেদ্দা’র কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

জেদ্দা পৌঁছা মাত্রই প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে সৌদি সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ
সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করবে।

সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং ওআইসি’তে স্থায়ী প্রতিনিধি গোলাম
মাসিহ এবং সৌদি সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন।

সৌদি আরব সফরকালিন সময়ে প্রধানমন্ত্রী জেদ্দা রয়্যাাল কনফারেন্স প্যালেসে
অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার রাতে পবিত্র মক্কা নগরীর হারাম শরিফে পবিত্র ওমরাহ
পালন করবেন এবং শনিবার ফজরের নামাজ আদায় করবেন।

শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী জেদ্দায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রিয়াদে বাংলাদেশের চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স এবং বাংলাদেশ ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করবেন বলে
আশা করা হচ্ছে।

রোববার জেদ্দা নগরীর আল আন্দালুসে সৌদি বাদশাহের আল সালাম প্রাসাদে প্রধানমন্ত্রী সৌদি বাদশাহের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সার্থ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় ছাড়াও আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন নায়েফ বিন আব্দুল আজিজ বাদশাহের প্রাসাদে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সৌদি সফর নিয়ে গত বুধবার অনুষ্ঠিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী জানান, সৌদি আরবে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য,বিভিন্ন প্রকল্পে সৌদি সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং হজ্ব ব্যবস্থাপনার মত বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর আগামী ৩ থেকে ৭ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য সৌদি সফরকালিন সময়ে সৌদি বাদশাহের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রধান্য পাবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই সফরে পররাষ্ট্র মন্ত্রীসহ উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা,ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন।
এর আগে, রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর জেদ্দা রয়্যাাল কনফারেন্স প্যালেসে বেশ কয়েকজন সৌদি মন্ত্রী এবং সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাত করবেন।

সৌদি সরকারের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপমন্ত্রী সালমান বিন সুলতান আল সৌদ এবং সৌদি বাদশাহের রয়্যাাল কাউন্সিলের উপদেষ্টা ইয়াসের আল মিয়া’র ও একইদিন বিকেলে জেদ্দা রয়্যাাল কনফারেন্স প্যালেসে প্রথানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী বিমানে মদীনার উদ্দেশ্যে জেদ্দা ত্যাগ করবেন এবং মদীনায় তিনি মদীনা হিলটন হোটেলে অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রী সেখানে মসজিদে নববীতে আছর এবং মাগরিবের নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন এবং হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর রওজা মোবারক জিয়ারত করবেন।

প্রধানমন্ত্রী মদীনার প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন আব্দুল আজিজ বিমান বন্দর থেকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় (সৌদির স্থানীয় সময়) দেশের উদ্দেশ্যে মদীনা ত্যাগ করবেন।

সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে (ঢাকার স্থানীয় সময়) প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারি বিমানটির হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালের এপ্রিলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ করার পর তৎকালীন সৌদি বাদশাহ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজের আমন্ত্রণে সৌদি আরব সফর করেন।

প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সালের নভেম্বরে একবার ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যেও সৌদি
আরব যান।

Thursday, June 2, 2016

বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আর্তনাদ একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিকের ।

বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আর্তনাদ একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিকের , , ,

মাননীয়া সভানেত্রী ,

হে আমাদের প্রজন্ম মাতা ; ; ;

বাংলাদেশ রাষ্ট্র টির ইতিহাসে যে দলটির নাম গোটা জাতি জানে তার নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ অভ্যুদয়ের পেছনে যে মহান নেতাটির অবদান জাতি কখন ও পরিশোধ করতে পারবে না তার নাম বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।

বাংলাদেশের জনগণের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় যে সেই বঙ্গবন্ধুর কন্যার হাতেই বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে এই মুহূর্তে বিশ্ব দরবারে।

আজকের বাংলাদেশ আর ১০ বছর আগের বাংলাদেশে অনেক অনেক তফাৎ যে তার রুপায়ক ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

২০১৪ সনের ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন যেমন বাচিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে তেমনি অভিশাপ মুক্ত আর ঋণ মুক্ত করেছে আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ কে।

এই মুহূর্তে জন নেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যেমন সফল তেমনি দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সফল বলা যায়। আর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি আর সাংগঠনিক দক্ষতার কলেবর বৃদ্ধি করতে আমার ছোট মস্তিস্কের কিছু প্রস্তাবনা আমি আমাদের মাননীয়া সভানেত্রীর কাছে উপস্থাপন করিলাম আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, , , , ,

১। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সবচাইতে দুর্বল বিষয় টি হোল এখন পর্যন্ত প্রচার সেল। এই দিকে নজর দিলে আশা করি সামনে পজিটিভ সম্ভাবনাই থাকবে। কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচাইতে সফল আর উন্নয়নের সরকার হইল বর্তমান সরকার। অথচ কেন জানি বিরোধী গ্রুপের মিথ্যা প্রচারণার কারনে সঠিক তথ্য গুলো ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

২। ছাত্র লীগ, যুব লীগ সহ সকল সহযোগী সংগঠন নিয়ন্ত্রণ বা সমৃদ্ধির জন্য দায়িত্ব বান ও যোগ্য নেতাদের নিয়ে একটি আলাদা সেল গঠন করলে আগামীতে যেমন দলের জন্য উপকার হইবে তেমনি উপকার হইবে প্রজন্মের জন্য।

৩। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনে যে সমস্ত দলীয় ও উপ দলীয় কোন্দল রয়েছে তাহা নিরসনে ব্যবস্থা করিতে হইবে ফলশ্রুতিতে যোগ্য ও মেধাবী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা পাইবে।

৪। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সবচাইতে বড় সম্পদ হোল তৃণমূল। বরাবরী তৃণমূল কেন যেন সুবিধা বঞ্চিত থাকে, , এ বিষয়ে সজাগ হইতে হইবে।

৫। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তব্লিগ জামাতের জন্য টঙ্গীর সুপরিচিত স্থান টি বরাদ্দ করে গেছেন অতচ আজকের তাবলীগ জামাত প্রায়ই সরকারের বিরোধী প্রচারণায় লিপ্ত থাকে, এ বিষয়ে সময় মত সজাগ না হইলে সামনে বিপদ আসতে ও পারে।

৬। সুবিধাবাদীরা অনেক সময় জনপ্রতিনিধি দের প্রকৃত নেতা কর্মী দের দূরে সরিয়ে দেয় এই বিষয়ে সময় থাকতেই সজাগ হইতে হইবে, কারণ অতি সহজেই মেধা খাটিয়ে চেনা যায় কে বা কারা সুবিধাবাদী আর কারা ত্যাগী।

৭। বঙ্গবন্ধুর হত্যা কারী হিসেবে যাদের বিচারের রায় হয়েছে তাদের অনতি বিলম্বে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করুণ।সেই সাথে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধী দের রায় গুলো কার্যকর করুণ।

৮। সর্বোপরি প্রতি মিনিটে মিনিটে ষড়যন্ত্র কারীরা তাদের ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে নতুন করেই তাই মিনিটে মিনিটে যে নয় সেকেন্ডের হিসেবে সজাগ থাকিতে হইবে।

৯। মনে রাখতে হইবে সরকারের ভুল গুলো কাজে লাগাতে উৎ পেতে আছে বিরোধী পক্ষ   তাই ভুল ত্রুটির উদ্ধে থেকে চলমান সরকার কে এগোতে হবে আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই।

১০। ডিজিটাল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ভাল করেই জানে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ জন নেত্রী শেখ হাসিনার সরকার তাদের মঙ্গলের স্বার্থেই কাজ করে আসছে। তাই সর্বাবস্থায় আমাদের মাননীয়া সভানেত্রী কে সজাগ থাকতে হইবে, কারণ ইতিহাস যে বড়ই নির্মম আর যেহেতু ইতিপূর্বে বিরোধী পক্ষ ঘটা করেই বলে এসেছিল ইতিহাস পুনরাবৃত্তির কথা সেহেতু জননেত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে থাকলে বেঁচে থাকবে বাংলাদেশ ।

১১। আসন্ন দলীয় কাউন্সিল থেকে বাংলাদেশের আপামর সাধারণ যোগ্য, মেধাবী, সৎ ও দেশ প্রেম এ উদ্বুদ্ধ নেতা নেত্রীর সমন্ব্য় দেখিতে উম্মুখ হয়ে আছে।

সর্বশেষে; আমরা আমাদের মাননীয়া সভানেত্রী জন নেত্রী শেখ হাসিনার সাফল্য, সুস্বাস্থ্য আর দীর্ঘায়ু কামনা করে আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীনের দরবারে ফরিয়াদ করছি। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকল কে হেদায়েত করুক, আমাদের সুপথে ধাবিত করার সুযোগ দিন, মিথ্যাচার এর রাজনীতি হইতে বাংলাদেশের সাধারণ জনগন কে মুক্তি দিক। সর্বোপরি ষড়যন্ত্র কারী দের হাত কে ধ্বংস করুক আমাদের সোনার বাংলাদেশ কে ।

জয় বাংলা ;                                  জয় বঙ্গবন্ধু

Sunday, May 29, 2016

জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপানের নাগোয়ার শুবু সেন্ট্রাইয়ার বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। এসময় জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক ভাইস মিনিস্টার মিকি ইয়ামাদা, রাষ্ট্রাচার প্রধান কাওরু শিমাজাকি, আইচি প্রিফ্যাকচারের ডেপুটি গভর্নর হাজিমে নাকানিশি এবং জাপানে বাংলাদেশের হাই কমিশনার রাবাব ফাতিমা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান ।
........…......………….………………
জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে : প্রধানমন্ত্রী

বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশেষ সম্পর্ক দিনে দিনে আরো জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার দেশটির রাজধানী টোকিওতে বাংলাদেশের নবনির্মিত চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধনকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাপান হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর অন্যতম এবং বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। তাই, আমরা ঐতিহাসিক টোকিও নগরীর কেন্দ্রস্থলে আমাদের নিজস্ব একটি ঠিকানা পেয়ে নিঃসন্দেহে গর্বিত।

টোকিওর কেন্দ্রস্থলে কিওইচো, ছিওদা-কু এলাকায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭১৪ বর্গমিটার আয়তনের বাংলাদেশের দূতাবাসের নতুন এ ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা স্বাগত বক্তৃতা করেন। জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লিগের মহাসচিব ইচিরো তাসুকাদা এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সেইজি কিহারা বক্তৃতা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী এবং ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাপান সফরকারী প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মধ্যে একমাত্র বেঁচে থাকা ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর কনিষ্ঠ বোন শেখ রেহানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এসমং শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর সফরের মধ্য দিয়ে জাপানের সঙ্গে বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। প্রতিনিধি দলের আরেক সদস্য শেখ রাসেল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দুর্ভাগ্যের রজনীতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নৃশংসভাবে নিহত হন। শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে জাপানের অবদান বিশেষ করে আমাদেরকে সহায়তা দেয়ার জন্য টিফিনের অর্থ বাঁচিয়ে জাপানি শিশুদের অর্থ সংগ্রহের কথা স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, স্বাধীনতা লাভের পর জাপান যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠনে সব ধরনের সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছিল। তিনি বলেন, জাপান সরকার এবং জাপানের প্রতিটি লোক আমাদের জন্য তাদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল।

আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুটি দেশের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সম্পর্কের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার সম্পর্ক জোরদার রাখার লক্ষ্যে সবসময় সচেষ্ট।

Thursday, May 26, 2016

নতুন এক অনন্য উচ্চতায় শেখ হাসিনা

সুত্রঃ-মাহমুদ মেনন, হেড অব নিউজ |বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ঢাকা: বিশ্বের শীর্ষ নেতৃত্বের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান আরও আগে থেকেই। তবে কেবল নেতৃত্বেই নয়, সাতশ’ কোটি মানুষের এই বিশ্বটির  উন্নয়ন কোন পথে, সে ভাবনা ও দর্শনের দিক থেকেও তিনি এখন বিশ্ব নেতাদের কাতারে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বিশ্বের অন্বেষণে’ শীর্ষক বিশেষ নিবন্ধ তা-ই তুলে ধরেছে। যা  প্রকাশিত হয়েছে এবারের জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে প্রকাশিত বিশেষ ম্যাগাজিনে। বিশ্বের সকল শীর্ষ নেতার পাশাপাশি শেখ হাসিনার নিবন্ধ স্থান পেয়েছে এই প্রকাশনায়।
বিশ্ব নেতারা ভবিষ্যৎ বিশ্বকে কেমন দেখতে চান, তাদের উন্নয়ন ভাবনা ও দর্শন কী- সবই রয়েছে এসব নিবন্ধে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাতে লিখেছেন তার উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে।
জি-৭ রিসার্চ গ্রুপ এই বিশেষ শ্যুভেনিরটি প্রকাশ করেছে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সিনঝো আবের লেখায় গুরুত্ব পেয়েছে একটি ফলপ্রসূ জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের জন্য করণীয় দিকগুলো। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো লিখেছেন নাগরিকের সমতার কথা। বলেছেন, যখন প্রতিটি নাগরিকের সমান সুবিধা নিশ্চিত করা যাবে, তখনই একটি দেশ এগিয়ে যাবে। জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল গুরুত্ব দিয়েছেন শরণার্থী সঙ্কট ইস্যুতে। তিনি বলেছেন, একমাত্র সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই আমরা এমন বাস্তুচ্যুতির ঘটনা প্রতিরোধ করতে পারবো। ইতালির প্রেসিডেন্ট মাত্তিও রেনজি ইউরোপের জন্য সুযোগ ও প্রত্যাশার দিকগুলো তুলে ধরেছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ টেকসই উন্নত বিশ্বের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলোতে আলোকপাত করেছেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেছেন বন্ধু ও মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে চলার কথা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও গুরুত্ব দিয়েছেন সাম্যের বিশ্বের প্রতি। আর বলেছেন, আমাদের অসমতার বিষয়ে উদ্বিগ্ন হতেই হবে। আর শেখ হাসিনা লিখেছেন- আমাদের এমনই একটি বিশ্ব নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কোনো ক্ষুধা ও দারিদ্র্যপীঁড়িত মানুষ থাকবে না।  
২৬ ও ২৭ মে জাপানের ইসে-শিমা পেনিনসুলায় যে জি-৭ এর বৈঠক হতে চলেছে, তাতে হাতে হাতে পৌঁছে যাবে এই বিশেষ প্রকাশনা। যা থেকে ধীরে ধীরে গোটা বিশ্ব জানবে বিশ্ব নেতাদের উন্নয়ন ভাবনা। তারা জানতে পারবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবনা ও আদর্শের কথাও।
‘জাপান, দ্য ইসে-শিমা সামিট’ শীর্ষক এই ১২২ পৃষ্ঠার বিশ্ব প্রকাশনায় জি-৭ নেতাদের নিজস্ব ভাবনার পরপরই শেখ হাসিনার নিবন্ধ স্থান পেয়েছে বিশ্ব ভাবনা ক্যাটাগরিতে। যার প্রচ্ছদেও স্থান পেয়েছে তার ছবি।
এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা কেবল নেতৃত্বেই বিশ্ব নেতাদের কাতারে থাকলেন না, উন্নয়ন ভাবনা ও আদর্শেও তিনি উঠে এলেন একই উচ্চতায়।
জি-৭ এর আউটরিচ বৈঠকে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে ২৬ মে সকালে জাপানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে উপদ্বীপ ইসে-শিমায় বিশ্বের প্রধান শক্তিশালী দেশগুলোর নেতৃত্বের সঙ্গে অংশ নেবেন তিনিও। ইসে-শিমাতে অনুষ্ঠেয় এবারের সামিটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং উন্নত অবকাঠামো বিনির্মাণে সহযোগিতা সংশ্লিষ্ট চারটি মৌলিক বিষয়ে আলোচনায় নেতৃত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের অন্বেষণে’ শীর্ষক নিবন্ধের হুবহু অনুবাদ
২০০১ সালে ইতালির জেনোয়ায় অনুষ্ঠিত জি-৮ সম্মেলনে অংশ নিয়ে আমি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমক্ত পৃথিবী গড়তে বিশ্ব নেতাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছিলাম। ১৫ বছর হয়ে গেল, বিশ্ব ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের দৃশপট বদলেছে, কিন্তু প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি। আমরা এখনও মানুষের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করার জায়গা থেকে দূরে পড়ে আছি।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এলেও সবার জন্য প্রয়োজনীয় খাবারের নিশ্চয়তা আমরাও এখনও দিতে পারিনি। বরং ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও জঙ্গিবাদ মানবাধিকার পরিস্থিতির ‍আরও অবনতি ঘটিয়েছে এবং দারিদ্র্য ছড়িয়ে আমাদের অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে।
আমরা একটি সংযুক্ত ও স্বাধীন বিশ্বে বসবাস করি। এই বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধিলাভে আমাদের মধ্যে সহযোগিতার সংস্কৃতি বাড়ানো উচিত। আমি মনে করি, মানুষের অনাহারের মূল কারণ দারিদ্র্য। বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলোর মানুষের এক নম্বর শত্রু এই ‍দারিদ্র্যই। এরসঙ্গে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, যার কারণে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্ষয়ে যাচ্ছে, একইসঙ্গে বদলে যাচ্ছে আমাদের কর্মপরিকল্পনাও।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থার (ফাও) তথ্যমতে, এই বিশ্বের ৭৩০ কোটি মানুষের মধ্যে এখনও ৮০ কোটি মানুষ অপুষ্টিতে ভুগছে। এর অর্থ প্রতি আটজনে একজন মানুষ প্রয়োজনীয় খাবার পাচ্ছে না। এই অপুষ্টিতে ভোগা মানুষদের মধ্যে ৭৮ কোটিই উন্নয়নশীল দেশের, যার মধ্যে কেবল এশিয়ারই রয়েছে ২৮ কোটি ১৪ লাখেরও বেশি মানুষ।
কিন্তু একজন মানুষও কেন এই পৃথিবীতে না খেয়ে থাকবে? সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য আমাদের এই মাতৃবিশ্বের পর্যাপ্ত সম্পদ রয়েছে।
বাংলাদেশে আমরা প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পূরণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। সকল বাধা ভেঙে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছি। গত ছয় বছরে আমাদের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩ শতাংশের ওপরে থেকেছে, আর এট‍া গতবছর দাঁড়িয়েছে ৭ শতাংশে। আমরা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এমডিজি) বেশিরভাগই অর্জন করেছি, যার মধ্যে ছিল মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস। ২০০৬ সালে যেখানে আমাদের দারিদ্র্যের হার ছিল ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ, সেটা ২০১৫ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ৪ শতাংশে। নারী ও শিশুসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে আমরা প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছি।
আমি মনে করি, দারিদ্র্য হ্রাসের ক্ষেত্রে শিক্ষা ও মানব উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারীর সমান অবদান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের  ক্ষমতায়ন শ্রেষ্ঠ উপায়।
আমাদের দেশের স্কুলগামী শিশুদের শ্রেণিকক্ষে একশ’ ভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বেশ কিছু কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি, যার মধ্যে বিনামূল্যে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত পাঠ্যবই বিতরণ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, আমরা ১ কোটি ৭২ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন বৃত্তির আওতায় রেখেছি।
আমরা অতি-দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের, বিশেষত হতদরিদ্র নারীদের জন্য কিছু সামাজিক নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি, যারমধ্যে এ বছর তিনশ’ ৯৪ কোটি ডলার বিতরণের কথা উল্লেখ করা যায়।
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে আমাদের দেশ সেই অর্থে দায়ী না হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সামলাতে আমাদেরই বেশি মূল্য দিতে হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলীয় বদ্বীপ বাংলাদেশ এখন অস্তিত্ব হুমকিতেই পড়ে গেছে।
জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের জনগণের জন্য কঠিন এক বাস্তবতা। এর ফলে যখন-তখন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বৃষ্টিপাতের ধরণ ও সময়ে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, খরা, ক্রমবর্ধমান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি আমাদের সাম্প্রতিক উন্নয়নমূলক অর্জনকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে। আমরা দেখছি অনেক কৃষক, জেলে ও মিস্ত্রির জীবন ও জীবিকার ওপর বিরূপ ছাপ ফেলছে এই জলবায়ু পরিবর্তন।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আমাদের কয়েক মিলিয়ন মানুষকে তাদের বাড়িঘর ছাড়তে হবে। আমরা আশঙ্কা করছি, যদি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে প্রতিবছর আমাদের ২-৩ শতাংশ জিডিপি হারাতে হবে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হবে আমাদের নারী ও শিশুরা।
জলবায়ু সহনশীল সম্পদ ও দক্ষতা বাড়াতে বাংলাদেশ ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর দরকার উন্নত দেশগুলোর ধারাবাহিক সহযোগিতা। আরও দরকার স্থানীয় ও টেকসই সমাধানে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও প্রযুক্তি। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ও প্যারিস চুক্তি সার্থক করতে আমাদের প্রয়োজন ধনী রাষ্ট্রগুলোর দায়িত্বশীল ও অগ্রগামী আচরণও।
জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর (যাদের সম্পদ পুরো বিশ্ব সম্পদের ৬৪ শতাংশ, ২৬৩ ট্রিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সম্পদ, এক ট্রিলিয়ন সমান ১ লাখ কোটি) নেতারা জাপানে ৪২তম জি-৭ সম্মেলনে জড়ো হচ্ছেন। আপনারা এই সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক রূপলাভকারী বিশ্বের মূল খেলোয়াড়।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে আমি জি-৭ দেশগুলোর নেতাদের আহ্বান জানাবো, বৈশ্বিক ক্ষুধা-দারিদ্র্য পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম এমন একটি কার্যকর উপায় খুঁজে বের করুন।

চলুন আমরা ন্যায়বিচার, বিশ্বাস ও সহযোগিতার সত্য উদ্যমে নিজেদের দায়িত্ব পালন করি। জনগণ আমাদের ওপর যে বিশ্বাস রেখেছে তাকে বাঁচিয়ে রাখি। আমাদের উত্তরসূরীরা যেন স্মরণ করে, মাতৃবিশ্ব থেকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূলের ইতিহাসে ইসে-শিমা পেনিনসুলায় অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন ছিল নতুন অধ্যায়ের শুরু।

Sunday, May 22, 2016

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


লন্ডন ও বুলগেরিয়ায় চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীরা আজ শনিবার সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।

মুখ্য সচিব আবুল কালাম আসাদসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সোফিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশের পথে রওনা হন শেখ হাসিনা।

বুলগেরিয়ায় গ্লোবাল উইমেন লিডারস ফোরামে অংশ নিতে গত রোববার ঢাকা থেকে রওনা হন শেখ হাসিনা। লন্ডনে দুই দিন অবস্থানের পর বুধবার তিনি বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় পৌঁছান।

সেদিন গ্লোবাল উইমেন লিডারস ফোরামে যোগ দেওয়ার আগে শেখ হাসিনা বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট ডেন্ট রোসেন প্লিভনিলিয়েভের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

পরে মূল বক্তা হিসেবে সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে সমাজ ও রাষ্ট্রের সব পর্যায়ে নারী-পুরুষের সমতা আনতে সব বাধা দূর করার অঙ্গীকারের কথা জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার তিনটি সমঝোতা স্মারক ও একটি কাঠামো চুক্তি হয়।

সফরে বুলগেরিয়ার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রবাসী বাংলাদেশিরা শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এছাড়া শুক্রবার সোফিয়ায় ন্যাশনাল হিস্টরি মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন শেখ হাসিনা। ওইদিনই বুলগেরিয়ার জাতীয় সংসদের সভাপতি মিজ সেসকা সাচিভা দানগোভস্কার দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন তিনি l

Friday, May 20, 2016

সৌদি সফরে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা; অধীর অপেক্ষায় বাদশাহ সালমান l

ভারত-চীন-জাপানের পর বাণিজ্য-বিনিয়োগসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কোন্নয়নে এবার মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৪ জুন সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ।

শেখ হাসিনার দু’দিনের ওই সফরের সময় বিনিয়োগ, সংস্কৃতি ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতার বিষয়ে বেশ  কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বড় বড় অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি বর্তমান সরকার বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। জনশক্তি রফতানির বাজার উন্মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের বড় ধরনের সুযোগ রয়েছে।

এছাড়া সৌদি আরবসহ বিশ্বের অনেক দেশই এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের জন্য মুখিয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। তার এই সফরকে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি কাজ করছে বাণিজ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়। বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এছাড়া ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই থেকেও একটি প্রতিনিধিদল সৌদি আরব সফরের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই সংগঠনটির পক্ষ থেকেও এ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। ওই সফরের সময় বাংলাদেশ-সৌদি আরবের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সঙ্গে একজোট হয়ে লড়াই করবে বাংলাদেশ। এছাড়া সংস্কৃতি, শিক্ষা, কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে দু’দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলেও ঘোষণা দেয়া হতে পারে।

ইতোমধ্যে বিনিয়োগ, সংস্কৃতি ও শিক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা চুক্তি নিয়ে কাজ করতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। উভয় দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য সৌদি আরব বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার ও নার্সসহ আরও দক্ষ ও আধাদক্ষ শ্রমিক নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশী হেলথ প্রফেশনালদের নিয়োগের জন্য সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফরে এসে মেডিক্যাল ডিগ্রী ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শনের বিষয়ে উভয় মন্ত্রণালয় সম্মত হয়েছে।

Monday, May 16, 2016

লন্ডন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

‘গ্লোবাল উইমেন লিডার্স’ ফোরামের সম্মেলনে যোগ দিতে বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে যাত্রা বিরতিতে দু’দিনের ব্যক্তিগত সফরে লন্ডন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (১৫ মে) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান ব্রিটেনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আব্দুল হান্নান, ডেপুটি হাইকমিশনার খোন্দকার মোহাম্মদ তালহা, প্রেস মিনিস্টার নাদিম কাদির, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি সুলতান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফারুক।

প্রধানমন্ত্রীর আগেই লন্ডন এসে পৌঁছান তার ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় লন্ডনের বার্কিংহাম গেটস্থ তাজ হোটেলে। লন্ডনে যাত্রা বিরতিকালে এ হোটেলেই অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী। হোটেলে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান দলীয় নেতাকর্মীরা।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অল ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশগুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক এম এ গণি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নঈমুদ্দিন রিয়াজ, মারুফ চৌধুরী, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, যুবলীগ সভাপতি ফখরুল ইসলাম মধু, সাধারণ সম্পাদক সেলিম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল খান, ছাত্রলীগ সভাপতি তামিম আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সজিব ভূইয়া প্রমুখ।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে হোটেলেই অবস্থান করছিলেন শেখ রেহানা, টিউলিপ সিদ্দিক ও তার শিশু কন্যা আজালিয়া এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্য সদস্যরা।

১৮ থেকে ২০ মে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল উইমেন লিডার্স’ ফোরাম কনফারেন্সে গেস্ট অব অনার হিসেবে যোগ দিতে ১৮ মে (বুধবার) সোফিয়ার উদ্দেশ্যে লন্ডন ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী। গেস্ট অব অনার হিসেবে বুধবার কনফারেন্সের উদ্বোধনী অধিবেশনেই তিনি কিনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে রোল মডেল বিবেচনা করেই সারা বিশ্বের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত হাই প্রোফাইল নারীদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ কনফারেন্সে শেখ হাসিনাকে গেস্ট অব অনার হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে কনফারেন্স সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে রোববার (১৫ মে) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে (বিজি-০০৫) প্রধানমন্ত্রী তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যান।

Thursday, May 12, 2016

Sorce:- Shane akbor >suchinta

……ওই রায়েই যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধী সংগঠন জামাতের বিচারের কথা বলা হয়েছে।……জামায়াত নিষিদ্ধ করা সময়ের ব্যাপার…..
দৈনিক ইত্তেফাক ১২ মে ২০১৬

Tuesday, May 10, 2016

সংগ্রহে এবং লেখা: Khairul Hasan Jewel

আমাদের অগ্রজ, ফজলুল হক মুসলিম হলের সাবেক ভিপি, বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানী ড.এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মাধ্যমে আজ আমরা তাকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরন করছি।
আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের নিকট তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
কিছু মুহুর্ত স্যারকে কাছে থেকে দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল তাতে আমার মনে হয়েছে তিনি ছিলেন প্রচন্ড স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন একজন মানুষ।
একটি ঘটনা মনে এখনো দাগ কেটে আছে...
তখন বিএনপি ক্ষমতায়,
আমরা ছাত্রলীগ করি, আমি তখন এফ এইচ হলের সাধারন সম্পাদক,
ক্যাম্পাস তখন প্রায়ই উত্তপ্ত থাকে এরইমাঝে
একবার আমরা আমাদের ফজলুল হক হলে একটি আলোচনাসভা এবং ইফতার অনুষ্ঠানে ড.ওয়াজেদ স্যার কে আমন্ত্রন জানাতে যাই
মাননীয় নেত্রী তখন দেশের বাইরে
সবাই বলতেছিল ড.ওয়াজেদ স্যার অসুস্থ, তার স্মৃতিশক্তির প্রখরতা আগেরমত নেই এমন সময় তাকে হলে নেয়া ঠিক হবেনা বাইরে গেলে আরো অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন তিনি,
তখন নেত্রী শুনলে আমাদের খুব উপর রাগ করতে পারেন। এটা শুনে আমরা ভয় পেয়ে গেলাম এমনিতেই আমরা বিরোধী দল করি,
ক্যাম্পাস তখন ছাত্রদলের দখলে যদি কোন সমস্যা হয়ে যায় তাহলে আমাদের জবাব দেবার কিছু থাকবেনা।
উপায় না দেখে আমরা তখন আমাদের হলের আরেক অভিভাবক, হলে একটি মিলাদ পড়লেও যাকে আমরা পাশে পেতাম, যিনি আমাদের হলের ছাত্রদের তার উত্তরসূরী বলে স্বাচ্ছন্দ বোধ করতেন, যার সাথে সুখে দু:খে অধিকার নিয়ে কথা বলার সুযোগ পেতাম সেই প্রয়াত জননেতা জনাব আব্দুর রাজ্জাক ভাইকে বিষয়টা অবহিত করলাম তিনি আমাদের সাহস দিলেন এবং দায়িত্ব নিয়ে প্রোগ্রামটা ঠিক করে দিলেন। আমরা ড.ওয়াজেদ স্যারের সাথে দেখাকরে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রন জানাতে গেলে তিনি হলের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক পরিচয় জানার পর হলের সহ-সভাপতি কে? তা জানতে চান। আমরা প্রথমে একটু অপ্রস্তুত হয়ে যাই কারন সবজায়গায় সবাইতো সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কথাই জানতে চায় তবে স্যার আবার সহ-সভাপতি কে খুজছেন কেন?
যখন বল্লেন তিনি আমাদের এফ এইচ হলের সহ-সভাপতি অর্থাৎ ভি,পি ছিলেন তখন বুঝতে পেরেছিলাম যে তিনি ভিপি, জিএসদের খুঁজছেন।
আমরা তখন তাকে জানালাম এখন আর ডাকসু ইলেকশন হয়না, শুনে খুব হতাশ হয়েছিলেন।
তিনি তার প্রিয় হলে আসার কথা শুনে খুব আনন্দিত হয়েছিলেন তিনি বলেছিলেন রাজ্জাক ভাই যেন সেইদিন অবশ্যই তাকে সাথে করে নিয়ে যান বল্লেন রাজ্জাক ভাই তার সংসদে এজিএস ছিলেন পরবর্তীতে হলের জি,এস হয়েছিলেন।
যেদিন আমাদের প্রোগ্রাম সেদিন তিনি যথাসময়ের অনেক আগেই রেডি হয়ে বসেছিলেন, রাজ্জাক ভাই তাকে নিয়ে হলে আসলেন তার সাথে আমরা কথা বল্লাম তিনি যেন গল্পের মাঝে তার ছাত্র জীবনে ফিরে গেলেন বল্লেন সবকথা তার মনেপড়ছে,
তার রুম, রিডিং রুম,  ক্লাশ রুম, ডাইনিং, ক্যান্টিন, পুকুরঘাট ইত্যাদি সব স্মৃতি বিজড়িত স্থান।
এফ এইচ হল প্রাংগনে এসে তার সব স্মৃতি মনেকরে তিনি তার প্রখরস্মৃতিশক্তির প্রমান দিয়ে যাচ্ছিলেন, রাজ্জাক ভাই বল্লেন ড.ওয়াজেদ স্যার প্রচন্ড মেধাবী ছিলেন বেশীর ভাগ সময়ই তিনি রিডিং রুমে থাকতেন তখন সবচেয়ে মেধাবীরাই ছাত্ররাজনীতি করতেন, হলের ক্রম অনুসারে তখন ডাকশুর ভিপি জিএস হতেন। নির্বাচনের সময় ক্লাস অথবা লাইব্রেরী থেকে এসে ছাত্রসভায় বক্তব্য দিয়ে আবার ফিরে যেতেন তার প্রিয়স্থান রিডিং রুমে।
ড.ওয়াজেদ স্যার এমন একজন মানুষ ছিলেন যার তুলনা একমাত্র তিনি নিজেই হতে পারেন
ক্ষমতার উত্তাপের বিপরীতে তিনি নিরহংকারী নির্লোভ ও প্রচারবিমুখ, স্থির, ইস্পাতকঠিন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, নিভৃতচারী, নিস্কলুষ একজন মানুষ ছিলেন, যিনি তার মেধা,শ্রম ও যোগ্যতা দিয়ে ক্রমেই হয়ে উঠেছিলেন সত্যিকারের আত্মমর্যাদা সম্পন্ন একজন মানুষ।
বিজ্ঞানমনষ্ক জাতি গঠনে ড. এম এ ওয়াজেদ স্যারের আদর্শ আমাদের নতুন প্রজন্মের পথ চলার অনুপ্রেরণা ...

Monday, May 9, 2016

নিজামীর ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত, সুত্র:- 21bd24.com

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর দণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি চলছে। এ লক্ষ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে ফাঁসির মঞ্চ।
গত বছর যে মঞ্চে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল, সেই মঞ্চেই ফাঁসিতে ঝোলানো হবে মতিউর রহমান নিজামীকেও।
এদিকে নিজামীর পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি  সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছে। এর আগে রবিবার রাতে নিজামীর দণ্ড কার্যকরের মহড়াও হয়েছে। চার জল্লাদও উপস্থিত ছিলেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম জানা যায়নি।
নিজামীর রিভিউ খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয় সোমবার দুপুরে। এরপর তা পৌঁছে দেয়া হয় ট্রাইব্যুনালে পরে তা কারাগারে পৌছে। সাজা থেকে বাঁচতে নিজামীর সামনে এখন খোলা রয়েছে কেবল রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ। তবে নিজামীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, নিজামী আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে মাথা নত করবেন না, তাই রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

Sunday, May 8, 2016

পদ্মাসেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংককে নেয়া হবে না। সুত্র:- বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম ।

পদ্মাসেতু প্রকল্প এলাকা থেকে: পদ্মাসেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের কোনো সহায়তা না নেয়ার কথা জানালেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘পদ্মাসেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ফিরতে চাইছে কিন্তু আমরা না করে দিয়েছি’।
শুক্রবার (৬ মে) পদ্মাসেতু প্রকল্পে সার্ভিস এরিয়ায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধির সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে আমার বৈঠক হয়েছে। ব্যাংকের প্রতিনিধি আমাদের বলেছে প্রকল্প রিভিউ করার জন্য। কিন্তু আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবগত না করেই বিশ্বব্যাংককে না করে দিয়েছি। কারণ আমি জানি প্রধানমন্ত্রী কত বড় মনের মানুষ। তিনি কখনও এই প্রকল্পে বিশ্বব্যাংককে জড়াতে চাইবেন না। পদ্মাসেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক বারবার ফিরতে চেয়েছে কিন্তু আমরা নেইনি।’
‘পদ্মাসেতু আমাদের সন্তানের মতো এটা একটি ইজ্জতের বিষয়। আমরা এই প্রকল্পে বিশ্বব্যাংককে জড়াতে চাই না। আমরা নিজেদের টাকাতেই পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন করবো।’ যোগ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মাসেতু হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে। দেশের সঙ্গে মেলবন্ধন তৈরি করবে সেতুটি। সেতুটি হলে এপার-ওপার বলতে কিছু থাকবে না সবই একপারে চলে আসবে।

Saturday, May 7, 2016

সঠিক পথেই বাংলাদেশ ।সূত্র:- aldb.org

বাংলাদেশে গত নভেম্বর থেকে তিন মাসে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থাশীল মানুষের সংখ্যা বেড়েছে বলে একটি জরিপে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) এর জন্য এই জরিপ করে দিয়েছে নিয়েলসন-বাংলাদেশ।
গত ৪ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে চালানো এই জরিপে দেশের আটটি বিভাগের সব জেলার শহর ও গ্রামাঞ্চলের দুই হাজার ৫৫০ জনের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে অংশগ্রহণকারীরা সবাই ১৮ বছর ও তার বেশি বয়সের।
জরিপে দেখা গেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৭ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগের প্রতি আস্থা জানিয়েছেন।
একই প্রতিষ্ঠানের গত বছর ৩০ অক্টোবর থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে চালানো জরিপে ক্ষমতাসীন দলকে আস্থায় রেখেছিলেন ৪৮ শতাংশ।
এবার ২৫ শতাংশ বিএনপির প্রতি আস্থার কথা জানিয়েছেন, যেখানে আগের জরিপে তাদের পক্ষে রায় ছিল ২৪ শতাংশের।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৭৩ শতাংশের মতে বাংলাদেশ সঠিক পথেই এগোচ্ছে। এই হার গত নভেম্বরের তুলনায় ৯ শতাংশ এবং বিগত দুই বছরের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি।
জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৮৩ শতাংশ বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ‘খুবই ভালো’ বা ‘কোনো রকম ভালো’ বলেছেন। আর ৭৭ শতাংশ বলেছেন, দেশ রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল বলে তারা মনে করছেন।
দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বেশিরভাগ মানুষ। ৭২ শতাংশ বিশ্বাস করেন, আগামী বছর তাদের ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হবে। আর দেশ রাজনৈতিকভাবে আরও স্থিতিশীল হচ্ছে বলে মনে করছেন ৬৫ শতাংশ।

সন্ত্রাস মোকাবেলা কুয়েত ও বাংলাদেশ একসাথে কাজ করবে।

সন্ত্রাস মোকাবেলা কুয়েত ও বাংলাদেশ একসাথে কাজ করবে।

বাংলাদেশ ও কুয়েত সন্ত্রাস ও উগ্রপন্থাকে মুসলিম উম্মাহর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যায়িত করে একযোগে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

এছাড়াও দুটি দেশ অর্থনীতি, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, জ্বালানি, জনশক্তি রফতানি, সামরিক ও আইসিটি ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে একমত হয়েছে। বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ ও কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

Friday, May 6, 2016

দেশ চলবে নবীজীর দেখানো পথে: শেখ হাসিনা

দেশ চলবে নবীজীর দেখানো পথে: শেখ হাসিনা

মদিনা সনদে সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর অধিকার যেভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল, তার আলোকে অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকার ‘নাস্তিকদের’ মদদ দিচ্ছে- হেফাজতে ইসলামের এই বক্তব্যের মধ্যে শনিবার এক সভায় শেখ হাসিনা মদিনা সনদের বিষয়টি তোলেন।

গণভবনে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ হবে রাজাকার, আল বদর ও যুদ্ধাপরাধীমুক্ত অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক দেশ।

“যে দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ধর্ম পালন করার স্বাধীনতা অর্জন করবে।”

“যেটা আমাদের প্রিয় নবী করিম (স.) তার মদীনা সনদ ও বিদায় হজে বলে গেছেন। ঠিক সেভাবেই এই দেশ চলবে।”

৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় হিজরতের পর সেখানে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তি স্থাপনে হজরত মুহাম্মদ (স.) যে সংবিধান প্রণয়ন করেন, তাই ইতিহাসে মদিনা সনদ নামে পরিচিত।

মদিনা সনদে বলা হয়েছিল- মুসলিম, খ্রিস্টান, ইহুদিসহ অন্যান্য সম্প্রদায় ধর্মীয় ব্যাপারে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করবে। কেউ কারো ধর্মীয় কাজে কোনো রকম হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গণজাগরণের পর শাহবাগের আন্দোলনকারীদের ‘নাস্তিক’ আখ্যা দিয়ে মাঠে নামে হেফাজতে ইসলাম।

তারা লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করে। ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে এক মন্ত্রী আলোচনা চালান।

হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে আলোচনাকে মৌলবাদীদের সঙ্গে সরকারের ‘আপস’ হিসেবে দেখছেন গণজাগরণ আন্দোলনের সংগঠকরা।

হেফাজত দাবি তোলার পর সরকার কয়েকজন ব্লগারকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করছে গণজাগরণ মঞ্চ।

অন্যদিকে গণজাগরণ মঞ্চের দাবির পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে, যার বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সংঘাতে উস্কানি সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। হেফাজত আবার মাহমুদুরকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ করছে।

যে কোনো ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “কোনো ধর্মের অবমাননা বরদাশত করব না।

“নবী করিম (স.)কে কটূক্তি করলে আমরা মানব না। ব্যবস্থা নেবোই।”

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতেই তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে উৎসবের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

হেফাজতের গত ৬ এপ্রিলের সমাবেশ থেকে বিরোধী দল সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছিল বলে আওয়ামী লীগের দাবি।

কিন্তু তা না হওয়ায় বিরোধীদলীয় নেতা ‘নাখোশ’ হয়েছেন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “কেন তারা ঢাকায় থেকে ক্ষমতায় বসিয়ে গেল না। নাখোশ হয়ে উনি (খালেদা জিয়া) নেতাদের মোবাইল কেড়ে নিয়েছেন।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হেফাজতে ইসলাম তাদের নিজেদের কর্মসূচি পালন করেছে। তারা তাদের দাবি দিয়েছে, যে সব দাবি মানার তা মানা হবে।

হেফাজতের ১৩টি দাবির মধ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ বন্ধের বিষয়টি রয়েছে, যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়সহ সন্তানদের কোনো খারাপ শিক্ষা দেননি |

পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়সহ সন্তানদের কোনো খারাপ শিক্ষা দেননি উল্লেখ করে জয়ের নামে অপপ্রচারের জন্য খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 
বৃহস্পতিবার রাতে দশম জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সম্পদ নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যে তথ্য দিয়েছেন তা মিথ্যা। ইতিমধ্যে জয় বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, সেই তথ্যের সত্যতা প্রমাণের জন্য। আশা করি, বিএনপি চেয়ারপারসন চ্যালেঞ্জের জবাব ​দেবেন।
তার সন্তানদের শিক্ষা সর্ম্পকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সন্তানদের বলেছি, শিক্ষা ছাড়া কিছু দিতে পারব না। তাঁদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছি। 'চোরচোট্টা' বানাইনি, বরং মা হয়ে সন্তানের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। ডিজিটাল শব্দটা আমার জয়ের কাছ থেকে শেখা।’
সেই সঙ্গে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদার দুই পুত্রের নানা অপকর্মের ফিরিস্তি দিয়ে নানা দুর্নীতি, বিদেশে অর্থ পাচারের কথা তুলে ধরেন। 
তাকে হত্যা করতে না পেরে এখন জয়কে হত্যার চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় বিএনপি-জামায়াত জোট তাঁকে অনেকবার হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে। কিন্তু সফল হতে পারেনি। এখন তাঁরা জয়কে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। যুক্তরাষ্ট্রে জয়কে হত্যার, অপহরণের ষড়যন্ত্র হয়েছিল। এটা যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রমাণিত। সাংবাদিক শফিক রেহমান ও আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সেই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে ছিলেন। এঁরা দুজন জড়িত। যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি নেতার ছেলে এফবিআই এজেন্টকে টাকা দিয়ে কিনে ফেলেছিল।
সরকার কোনো অপরাধীকে ছাড় দিচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি দলীয় সাংসদরাও অপরাধ করলে বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানান।
এ দেশে জঙ্গি সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন সংসদ নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী সংসদে দেওয়া বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সরকারের গত সাত বছরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

"দেশে এখন ৩ কোটি ৮৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য নিরাপত্তা হয়েছে। মানুষের চাহিদা বদলে গেছে কারণ পেটে খাবার আছে। এখন মানুষ বিদ্যুৎ চায়, স্কুল চায়- আমরা তা করছি।"
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


গনভবনে কুয়েতের প্রধানমুন্ত্রী কে লাল গালিচা স্বংবর্ধনা ।

  1. গনভবনে কুয়েতের প্রধানমুন্ত্রী কে লাল গালিচা স্বংবর্ধনা ।



কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ জাবের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা জানান  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দুই নেতা একান্ত বৈঠকে অংশ নেন। শিমুল হলে বৈঠকটি স্থায়ী হয় প্রায় বিশ মিনিট। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এতে আলোচনা হয়। এ সময় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ প্রতিরোধে গুরুত্ব দেন। কুয়েত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জনশক্তি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণসহ দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিষয়ে দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী মতবিনিময় হয়েছে।


Thursday, May 5, 2016

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের মুখথেকে শুনুন

■ শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতির কল্প কাহিনী থেকে সজীব ওয়াজেদ জয়ের আড়াই হাজার কোটি টাকার গল্প ■

[[ বেগম খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক সজীব ওয়াজেদ জয়ের আড়াই হাজার কোটি টাকার বক্তব্য আর কথিত শেখ কামালের ব্যাংক ডাকাতির কল্প কাহিনী সমান্তরাল। ব্যাংক ডাকাতির টাকা আর বঙ্গবন্ধু পরিবারের অর্থ ও ধন-সম্পদের বিবরণী খুজতে বেগম জিয়ার স্বামী জেনারেল জিয়া সহ পাগল ছিলেন খন্দকার মোশতাক, কর্নেল রশিদ, কর্নেল ফারুক, মেজর ডালিম গংরা! সেদিনের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ কি সমান পেয়েছেন ম্যাডাম জিয়া  ? সেদিন ওরা কি কি পেয়েছিল মনে আছে ? মনে না  থাকলে লেখাটি পড়ে নেবেন ]]

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর বঙ্গভবনে তৃতীয় দিন খুনী মোশতাক কেবিনেট মিটিং করে। ওই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় যে, শেখ মুজিবের অর্থ ও ধন-সম্পদের বিবরণী রেডিও-টিভি এবং পত্রিকায় প্রকাশ করা হবে। বিকেলে সব ব্যাংকের এমডিকে বঙ্গভবনে ডাকা হলো।

কর্নেল রশিদ নিজে দরবার হলে তাঁদের সবাইকে ১৫-২০ জওয়ানের স্টেনগান এবং এসএলআরের সামনে দাঁড় করিয়ে বলল : " মীরজাফর শেখ মুজিবের কোন ব্যাংকে কত টাকা আছে, আপনারা তার বিবরণী নিয়ে এসেছেন? " সব এমডি বললেন যে, তাদের কারও ব্যাংকে ওঁনার কোন একাউন্ট বা টাকা-পয়সা নেই। সোনালী ব্যাংকের এমডি বললেন যে, সোনালী ব্যাংক, ধানমণ্ডি শাখায় ওঁনার ৩৩০০/- (তিন হাজার তিন শ') টাকা আছে। তখন কর্নেল রশিদ স্টেনগান এবং এসএলআর তাক করে রাখা সৈনিকদের চিৎকার করে বললেন : They are bustard, dogs of Sheikh Mujib, fire them (তারা সব জারজ, শেখ মুজিবের কুত্তা, তাদের গুলি করে মেরে ফেলো।) এ কথা শোনা মাত্র এক ব্যাংকের জনৈক এমডি অজ্ঞান হয়ে বঙ্গভবনের দরবার হলের মেঝেতে ধপাস করে পড়ে গেলেন। ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে তখন আরেক ব্যাংকের এমডি বলে উঠলেন : " স্যার, স্যার, মারবেন না। স্যার, আমার ব্যাংকে একটা আছে? " কর্নেল রশিদ তার কাছে এগিয়ে গিয়ে টাইসহ তার কোটের কলার চেপে ধরে হুঙ্কার দিল, You bustard, now open your mouth. (তুমি জারজ, এখন তোমার মুখ খোল।) তিনি বললেন : " স্যার, আমি হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের এমডি। হাউস বিল্ডিং থেকে উনি (ভয়ে আতঙ্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামটাও উচ্চারণে অপারগ) ৩২ নম্বরের বাড়ি করার জন্য লোন নিয়েছিলেন। সে লোন পরিশোধ করেননি এবং সুদে আসলে তা এখন ৫-৬ লাখ টাকা হবে। এই টাকা ওঁনার কাছে সরকারের পাওনা আছে। " খুনী রশীদ হুকুম দিল : " বাড়ি এক্ষুনি জব্দ করে নিন। " এমডি সাহেব বললেন : " স্যার, নিউজ পেপারে একটা নোটিস দিয়ে দিতে হবে। " খুনী রশিদ বলল : " এক্ষুনি দিয়ে দিন। পত্রিকার লোক কে আছে এখানে? " সবার আগে সেই মার্শাল'লর ধামাধরা ইবলিশ কুদ্দুস ছুটে এল। সে তৎক্ষণাৎ ড্রাফট করে দিল "মৃত শেখ লুৎফর রহমানের পুত্র মৃত শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়ির ঋণ বাবদ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের কাছে সুদে আসলে ৫-৬ লাখ টাকা ... বছর যাবত অপরিশোধ্য থাকার প্রেক্ষিতে উক্ত বাড়ি আগামী ৪৫ দিনের পরদিন প্রথম কার্যদিবসে হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন কর্তৃক প্রকাশ্যে নিলামে তোলা হবে। আগ্রহী ক্রেতাগণ ... তারিখে উক্ত বাড়ির সম্মুখে ডাকা প্রকাশ্য নিলামে অংশ গ্রহণ করতে পারেন। নিলামে সর্বোচ্চ দর ডাকার কাছে বাড়িটি বিক্রি করা হবে। খুনী মোশতাকের আরেক ডান হাত খ্যাত তাহের উদ্দীন ঠাকুরের নির্দেশে সেখানে উপস্থিত মর্নিং নিউজের সম্পাদক জনাব শামসুল হুদার হাতে এই নিলামের নোটিস এইচবিএফসির এমডি স্বাক্ষর করে দিয়ে দিলেন। ১ দিন পর ১৯ আগস্ট অথবা ২০ আগস্ট দৈনিক মর্নিং নিউজের পেছনের পাতায় বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়ির নিলামের বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয়। এই হলো খুনী মোশতাক-রশিদ-ডালিম-ফারুক চক্রের জিঘাংসার শিকার বাংলার মুকুটহীন সম্রাটের অর্থ-বিত্ত ও ধন-সম্পদের সরকারীভাবে প্রকাশিত তথ্য বিবরণী।

১৯৭৫-এর ১৭ আগস্ট কয়েকজন ডিসিকে বঙ্গভবনে ডাকা হলো। সে বিষয়ে আমাকে গত ১৭ আগস্ট (২০১১) সচিব মোকাম্মেল হকের বাসায় এক ইফতার পার্টিতে সে সময়ের (১৯৭৫ সালে) ডিসি জনাব হাসনাত আব্দুল হাই ১৫ আগস্ট প্রসঙ্গে আমাকে বললেন, "সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ১৫ জন ডিসির সঙ্গে আমাকে প্রেসিডেন্ট মোশতাকের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হলো। প্রেসিডেন্ট মোশতাক আমাদের বললেন, 'শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের বাড়িতে ২০ ভরি সোনা পাওয়া গেছে। এগুলো আপনারা অফিসারদের সব জানাবেন। এসব অবৈধ সোনা এবং তাঁর দুর্নীতির প্রমাণ।' মিটিং শেষে আমার সহকর্মীরা সকলে বলাবলি করলেন যে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে মাত্র ২০ ভরি সোনা পাওয়া গেছে, যখন তাঁর দুই পুত্র শেখ জামাল ও শেখ কামালের বিয়ে হয়েছে মাত্র কয় মাস আগেই। এরপর এই ২০ ভরি সোনার গহনার কথা আমাদের অজস্র অফিসারের কাছে তুলে ধরে বঙ্গবন্ধুর দুর্নীতি প্রমাণের চেষ্টা করা হলে তাদের কাছে ডিসিদের আর কোন মান-সম্মান থাকবে না। আমার সহকর্মীরা প্রায় কোরাশের কণ্ঠে বললেন, খুন-খারাবি করে খুনী মোশতাকের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধুর চেয়ারে বসার স্বপ্ন সে কি করে দেখে?



[ লেখক :: মুক্তিযুদ্ধা মুসা সাদিক, কলাম লেখক, সাবেক সচিব বাংলাদেশ উইস ফ্রিডমের রচয়িতা ]

Wednesday, May 4, 2016

কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভ্যর্থনা।

কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভ্যর্থনা।

 তিন দিনের সরকারি সফরে ঢাকা পৌঁছেছেন কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ জাবের আল-মুবারক আল-হামাদ আল-সাবাহ।
তাকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ও তিন বাহিনীর প্রধান গন গার্ড অব অনার প্রদান করেন ।



জাতির জনক এবং তাঁর পরিবারকে অবজ্ঞা করার পরিনাম ।

জাতির জনক এবং তাঁর পরিবারকে অবজ্ঞা করার প্রতিদান --বিএনপি জনগন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার মুল কারন---
________________________________________

    বাংলাদেশের অনেক বিজ্ঞ অভিজ্ঞজনের অভিমত, শক্তিশালী বিরুধীদলের অভাবে গনতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।সরকার ও নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপিকে মাঠে স্বক্রিয় রাখার নিমিত্তে-একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে আওয়ামী লীগের উপর দমন পিড়ন অব্যাহত রেখেছেন।কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে বলে মনে হয়না।বিএনপিকে মাঠে ধরে রাখা যাচ্ছেনা,অনেক ক্ষেত্রে তৃনমুলের নেতাদের কাঁধে জোর করে নমিনেশন তুলে দিলেও তাঁরা পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা অব্যাহতই রেখেছেন।এই থেকে অনুমান করা যায় বিএনপির রাজনীতিতে আর ফিরে আসার সম্ভাবনা-তৃনমুলের কর্মীরাও বিশ্বাস করতে পারছেননা।

 শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের ঘটনা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের আরো বেশী শঙ্কায় ফেলেছে। এই মামলায় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদেরও জড়ানো হতে পারে- এমন আশংকা প্রকাশ করছেন অনেকেই।

সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা সেলের সমন্বয়ক মো. শাহজাহান বলেন, ‘দলীয় স্বার্থে দলে কোনো বিরোধ বা ঠেলাঠেলি দেখি না। তবে সরকারের স্বার্থ রক্ষার তৎপরতা আছে। কেউ না বুঝে, আবার কেউ কেউ বুঝেশুনে সরকারের ফাঁদে পা দিচ্ছে। এ থেকেই হয়তো দ্বন্দ্বের উৎপত্তি।’

গত বছরের শুরুতে সরকার পতন আন্দোলনে ব্যর্থতা, টানা তিন মাস হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে পেট্রলবোমা, গাড়ি পোড়ানোসহ নাশকতার অসংখ্য মামলা এবং পুলিশের গ্রেপ্তার অভিযানের মুখে অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বিএনপি।

  দলের নেতা-কর্মীদের অনেকে বছর খানেক আত্মগোপনে ছিলেন। এরপর গত ১৯ মার্চ দলের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের মাধ্যমে বিএনপি দলটি আবার রাজনীতির মাঠে ফিরে আসে। নেতা-কর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনার সঞ্চার হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন মুখের প্রাধান্যনির্ভর কমিটি দিয়ে ধীরেসুস্থে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেন শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু নেতাদের অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে শুরুতেই এ পরিকল্পনা হোঁচট খায়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সুন্দর একটা সম্মেলন হলো। কিন্তু নানা কারণে দলে যে গতি আসার কথা ছিল, তা আসেনি।বরঞ্চ অনেক ক্ষেত্রে দলীয় অন্তকোন্দল শীর্ষ পয্যায়কে স্পর্ষ করেছে।

সম্মেলনের এক মাসের মাথায় তিন দফায় দলের মহাসচিবসহ ছয়টি পদে ৪১ জন নেতার নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। তাঁদের ৩১ জন নতুন মুখ, যাঁদের পাঁচ-ছয়জনের যোগ্যতা ও সামর্থ্য নিয়ে দলের ভেতরে সমালোচনা আছে। কমিটি নিয়ে ক্ষোভ বিক্ষোভে কেন্দ্রিয় কায্যালয়ে হামলার ঘটনাও ঘটেছে ইতিমধ্যে।বলা যায় লেজে গোবরে অবস্থা।

 সূত্র জানায়, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে মূল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। এ কাজে যখন যাঁকে দরকার মনে করছেন, তাঁর সহযোগিতা নিচ্ছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে বলে অবশ্য অভিযোগ আছে। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদ ও বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে নাম ঘোষণা বাকি আছে। এসব পদের বিষয়ে কথা বলতে গত কিছুদিন আগে লন্ডনে তারেক রহমানের কাছে গেছেন তাঁর এক ঘনিষ্ঠজন।তারেকের পরামর্শ অনেক ক্ষেত্রে পালিত না হওয়ার কারনে মা-ছেলে হট টকও সর্বজনবিদিত।যার ফলে লোক পাঠিয়ে ছেলের মান ভাঙ্গানোর প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

দলের এমন এলোমেলো অবস্থার মধ্যে সাংবাদিক শফিক রেহমানের গ্রেপ্তার ও তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে ‘অপহরণ ও হত্যা ষড়যন্ত্রের’ মামলায় জড়ানোর ঘটনা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের শঙ্কায় ফেলেছে। তাঁদের আশঙ্কা, শফিক রেহমানের ওই মামলায় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ আরও নেতাকে জড়ানো হতে পারে।শফিক রেহমান যে হারে তথ্য প্রকাশ শুরু করে দিয়েছেন তাতে সুস্থির থাকার উপায় দেখছেনা কোন নেতা।কোন সময়ে কোন নেতার নাম বলে বসে তার কোন হদিস নেই,সখ্যতাতো কম বেশি সবার সাথেই তাঁর ছিল।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার ও খালেদা জিয়ার মামলার গতি বাড়ানোর উদ্দেশ্য বিএনপির স্বাভাবিক রাজনৈতিক কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করা। আর গয়েশ্বরের দাবি, শফিক রেহমানের গ্রেপ্তার সরকারের ‘নার্ভাসনেস’। সরকারকে মনের বাঘে খাচ্ছে। তারা বাঘ খুঁজে পাচ্ছে না, তাই বনে আগুন দিচ্ছে।

বিএনপির শুভাকাঙ্ক্ষী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসনের স্বার্থে বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানোর দরকার। কিন্তু দলটি কেন জানি পারছে না। তিনি বলেন, ‘কিছু লোক আছে খালেদা জিয়াকে ঘরে আবদ্ধ করে রাখে। তারাই বলে আপনাকে সব ক্ষমতা দেওয়া হলো, আপনি সব ঠিক করে দিন। এ অবস্থার পরিবর্তন যত দিন না হবে, ততদিন এসব সমস্যা কাটবে না।’

  দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, মামলা, হামলা ও নির্যাতনে বিএনপি এমনিতেই কাহিল। এসবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে আরও কাহিল করা। নেতাদের পারস্পরিক সম্পর্ক নষ্ট করে দলকে ভেতর থেকে অস্থিরতায় রাখা।হুমকি ধমকি যাই দিক গয়েশ্বর শেষ পয্যন্ত বিএনপির পড়ন্ত বিকেলের কথাই স্বীকার করে গেলেন।
শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তারের ঘটনা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের শঙ্কায় ফেলেছে। এই মামলায় বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদেরও জড়ানো হতে পারে। মুলত:এই আশংকাটি আসার কারন-শফিক রেহমানকে জিজ্ঞাসার আগেই অকপটে তথ্যপ্রদান করে দেয়া,যাহা জিজ্ঞাস্য নয় তেমন বিষয়েরও আবতারনা করে দল ও দলীয়নেতাদের বিব্রতকর পরিস্থীতির দিকে ঠেলে দেয়া।

    ইতিমধ্যে বিএনপির নেত্রী সহ উধ্বতন নেতানেতৃদের লাগামহীন মন্তব্য ও বক্তব্য থেকে বুঝা যায় দলটি রাজনীতিতে খেই হারিয়ে যারপরনাই দিশাহীন অবস্থায় আছে।কে কি বলবে বা কি বলা উচিৎ তাও যেন বোধগম্যতায় আসছেনা।

   দলের শীর্ষনেত্রী খালেদা--জয়ের তিনশত মিলিয়ন ডলার আমেরীকার ব্যাংকে জমা আছে বলে দেয়া বক্তব্যে তীব্র প্রতিবাদ চতুর্দিক থেকে শুরু হয়েছে।জয় নীজেই তাঁর পেইজবুক স্টেটাসে প্রতিবাদ করে চেলেঞ্জ চুড়ে দিয়ে বলেছেন,তিনবারের প্রধানমন্ত্রী আমেরীকার অর্থব্যবস্থা সম্পর্কেই কোন জ্ঞান রাখেননা।বৈধ আয়ের বাইরে আমেরিকার ব্যাংকে টাকা জমা রাখার কোন রীতি নেই,তাও তিনি জানেননা।
   জাতির জনকের পরিবারকে যেই দলই অবজ্ঞা করার যতবেশি চেষ্টা করবে, দলটি ততবেশি জনবিচ্ছিন্নই হবে।এমনও সময় হয়ত খুব বেশি দূরে নেই, জাতির জনককে যথাযথ সম্মান না করে, কোন ব্যাক্তি বা দল বাংলাদেশে রাজনীতির করার অধিকারও বাঙ্গালী জাতি দিবেনা।জাতি অন্তত: এই বিষয়টি ইতিমধ্যে পরিস্কার ভাবে অনুধাবন করেতে পেরেছে বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী জাতিকে স্বাধীনতা দিয়েছেন,তাঁর কন্যা বাঙ্গালী জাতিকে সমৃদ্ধ জাতিতে পরিনত করছেন,তাঁর দৌহিত্র সজিব ওয়াজেদ জয় জাতিকে বিজ্ঞান ভিত্তিক সমাজ উপহার দেয়ার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে ইতিমধ্যে তথ্য ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধশালী করে উন্নত জাতির সোপান রচনা করেছেন।
   সুনির্দিষ্ট প্রমান ছাড়া জাতির জনকের পরিবারের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উত্থাপন করা কোন মহলের কাম্য হতে পারেনা। জাতির জনক বাংলাদেশের সৃষ্টি করেছেন, দেশ স্বাধীন করেছেন। জাতি গর্বভরে বাংলাদেশের স্থপতি করে তাঁদের মনের মন্দিরে ঠাঁই দিয়ে রেখেছেন।
  "সাধারন রিক্সাওয়ালা পয্যন্ত তাঁর ছেলে মেয়ের নামে সম্পদ না রেখে- জাতির জনকের কন্যার জন্য সম্পদ রেজি:করে রেখে দিয়ে গেছেন, এমন উদাহরন ও আছে। কোটি বাঙ্গালী তাঁদের সম্পদ জাতির জনকের পরিবারের জন্য দিয়ে যেতে প্রস্তুত।যেখানে অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিতে পারে সেখানে সম্পদ তুচ্ছ।বাঙ্গালী একাধিকবার নীজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে জাতির জনকের কন্যার জীবন রক্ষা করার উদাহরন ইতিপুর্বে একাধিকবার রেখেছে।অযথা প্রমান ছাড়া অভিযোগ উত্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে সকল মহল বিরত থাকা উচিৎ।কারন পরিবারটি বাঙ্গালীর অন্তরে ধারন করা,সীল গালা করে রেখে দিয়েছে বাঙ্গালী।
   শুধুমাত্র নীজের পরিবারের দুর্নীতি,লুটপাটের বদনামের সমান্তরাল করার নিমিত্তে জাতির জনকের পরিবারকেও একই পাল্লায় জনমনে ধারনা দেয়ার পরিকল্পনা হীতে বিপরীত হতে পারে।জনরোশের কবলে পড়ে রাজনীতির মঞ্চ থেকে বিদায় নেয়ার সম্ভাবনাই ত্বরান্বিত হবে, ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন দুরের কথা।

        জয় বাংলা            জয়বঙ্গবন্ধু
      জয়তু বঙ্গরত্ম       শেখ হাসিনা