Monday, December 10, 2012

Today 16th December


Today is the Victory Day. On this day, 41 years ago, the nation after a nine-month sanguinary Liberation War, achieved victory from the Pakistani occupation forces at a cost of millions of lives.

On this day in 1971, Bangladesh emerged as a new country in the global map. Following an all-out armed struggle against the occupation army, the 16th day of December 33 winters back witnessed the abominable surrender of the enemy, after being vanquished by the Joint Forces of the valiant Bengali Freedom Fighters and the Allied Indian Army.

The defeat of the marauding Pakistan Army and their local collaborators and quislings an the hands of the Mukti Bahini proved that a nation, virtually disarmed, could win over a formidable, hostile military machine given their deep commitment to freedom, patriotic spirit and guidance by a strong leadership. 

The grateful nation will pay today homage to lakhs of martyrs and its heroes, who brought victory for it, through different commemorative programmer.The national flag will be hoisted atop all public and private buildings across the country as part of the Victory Day celebrations.

2nd May 1971

Today 2nd 1971

  • মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নতুন কোম্পানি 'সি-কোম্পানি' নাম ধারণ করে নায়েক সুবেদার হাজী মুরাদ আলীর নেতৃত্বে পাকবাহিনীর অমরখানা ঘাঁটির সন্নিকটে একটি প্রতিরক্ষা ঘাঁটি নির্মাণ করে।
  • সকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কামান ও মর্টারের সাহায্যে রামগড়ে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের চট্টগ্রাম সেক্টরের সদর দপ্তরে দু'ধারা আক্রমণ চালায়। সারাদিন যুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধারা রামগড় ত্যাগ করে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের সাবরুমে অবস্থান নেয়। পাকসেনারা রাতে রামগড়ে প্রবেশ করে হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মতো নারকীয় কর্মকাণ্ড চালায়।
  • মুক্তিযোদ্ধারা কিশোরগঞ্জে অবস্থানরত পাকবাহিনীর উপর তীব্র আক্রমণ চালায়। অপরদিকে পাকবাহিনী কিশোরগঞ্জ থেকে দশ মাইল দূরে অবস্থিত বিরল নামক স্থান থেকে দূরপাল্লার আক্রমণ চালায়। ভারত সীমান্তের রাধিকাপুর নামক স্থানের শরণার্থী শিবিরে পাকবাহিনী বোমা নিক্ষেপ করে। এতে একজন নিহত ও অনেকে আহত হয়।
  • মুক্তিযোদ্ধাদের তেলিয়াপাড়া এলাকাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার তৎপরতার প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যাপ্টেন মতিন ক্যাপ্টেন সুবেদার আলী ভুইয়া, একজন নবাগত অফিসার ও তাঁর দল নিয়ে গ্রামের ভেতর দিয়ে সাহাজিবাজার পৌঁছান। ক্যাপ্টেন মতিনের কাজ হচ্ছে শত্রুপক্ষের চলাচল-পথে অ্যামবুশ করা।
  • পিরোজপুরে সিরাজ শিকদার গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করেন। কমিটির সভানেত্রী জাহানারা বেগম (সিরাজ শিকদারের স্ত্রী), শাহনেওয়াজ প্রধান কমান্ডার, মুজিব গণসংযোগ ও মাহতাব সদস্য নির্বাচিত হন। ঘাঁটি এলাকাকে কয়েকটি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
  • ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাদেশের আশ্রয় প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৪২৮ জন।
  • লে. জেনারেল টিক্কা খান বরিশাল ও ফরিদপুর সফর করেন। সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের আরো সক্রিয়ভাবে দুষ্কৃতকারীদের দমন করার ব্যাপারে তৎপর হবার নির্দেশ দেন।
  • পাকিস্তানে নবনিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মি.এইচ. সারাবুর্ক পাকিস্তানের প্রতি তার সরকারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে ঘোষণা করেন।
  • মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে হানাদার বাহিনীর পক্ষে শেরে বাংলার মেয়ে রইসি বেগম এক বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, কিছু দুষ্কৃতকারী ও ভারতীয় দালাল আমাদের স্বাধীনতা ও সংহতি বিপন্ন করে তুলেছিলো। কিন্তু আমাদের সেনাবাহিনী শত্রুর সে চেষ্টা সফল হতে দেয় নি। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, আমরা প্রতিশোধ নিতে জানি। শত্রুদের আমরা রুখবোই।
  • শান্তি কমিটির উদ্যোগে খুলনায় এক সভায় সবুর খান বলেন, কতিপয় ব্যক্তি ব্যতীত 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ' পাকিস্তানিরা প্রত্যাখ্যান করেছে। এটা কোনো মতবাদই নয়। বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে পাকিস্তানের জন্ম হয়েছে। পাকিস্তানকে আমরা ধ্বংস হতে দিতে পারি না। আমরা সবাই পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের পক্ষে। জীবন দিয়ে হলেও আমরা পাকিস্তানকে রক্ষা করবো।

1st May 1971

Today 1st may 1971

  • মেজর শফিউল্লাহ-র নির্দেশে দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের লেফটেন্যান্ট গোলাম হেলাল মোরশেদ খান এক প্লাটুন যোদ্ধা নিয়ে তেলিয়াপাড়া থেকে মাধবপুর হয়ে শাহবাজপুরে পাকিস্তানি সৈন্যদের রেইড করার জন্যে রওয়ানা হন।
  • পাক হানাদার বাহিনী চট্টগ্রামের রামগড়ের আশপাশের এলাকার উপর গোলা বর্ষণ শুরু করে। পাকবাহিনীর একটি দল মূল সড়ক ও অন্য একটি দল রামগড়ের পূর্ব-দক্ষিণে পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হয়।
  • কুমিল্লার বগাদিয়া সেতুর কাছে নায়েক সিরাজ এক প্লাটুন যোদ্ধা নিয়ে অ্যামবুশ করে। পাকবাহিনীর একটি জিপসহ তিনটি ট্রাক কাছাকাছি এলে মুক্তিযোদ্ধারা চরম আক্রমণ চালায়। এ যুদ্ধে ১৫-২০ জন পাকসেনা নিহত হয় ও তাদের একটি লরি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়। নায়েক সিরাজ অসীম সাহস ও বীরত্বের সাথে এ যুদ্ধ পরিচালনা করেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই যুদ্ধ 'বগাদিয়ার যুদ্ধ' নামে খ্যাত।

  • ৩০ এপ্রিলের পরাজয়ের ঝাল মেটাতে পাকহানাদার বাহিনী পুনরায় কুমিল্লার বড়কামতা আক্রমণ করে। পাকসেনারা গ্রামে ঢুকে বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়।
  • ভারতের শিল্পমন্ত্রী মইনুল হক চৌধুরী আগরতলার শরণার্থী শিবির পরিদর্শনকালে বলেন, বাংলাদেশ একটি বাস্তব ঘটনা। এর ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কোনো সন্দেহ নেই। বাঙালিরা শেষ পর্যন্ত জয়ী হবেনই। বিশ্ববাসীর উচিত একে স্বীকার করে নেয়া।
  • ঢাকায় সামরিক কর্তৃপক্ষ নগরীর রেল লাইন ও সড়কের উভয় পাশের অননুমোদিত বাড়িঘর ও বস্তি সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়।
  • ময়মনসিংহ থেকে নির্বাচিত প্রাদেশিক সদস্য এস.বি. জামান আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেন। তিনি পাকিস্তানের অখণ্ডতা বজায় রাখার লক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য ময়মনসিংহবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
  • পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচার জন্য লাখ লাখ বাঙালি ভারতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার জানায়, 'কিছু সংখ্যক লোক সমাজ-বিরোধীদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে সীমান্তের ওপারে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ভারত উদ্বাস্তুর ধুঁয়া তুলে ব্যবসা করছে।'
  • মুসলিম লীগ (কাইয়ুম) প্রধান খান আবদুল কাইয়ুম খান শাসনতন্ত্র প্রণয়নের দাবি তুলে জানান, পূর্ব-পাকিস্তানের দুঃখজনক পরিস্থিতির উদাহরণ সামনে রেখে শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করলে এ ধরনের অবস্থা আর সৃষ্টি হবে না। এটাই হচ্ছে শাসনতন্ত্র প্রণয়নের উপযুক্ত সময়।

Wednesday, December 5, 2012